ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব এখন যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভর করছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই। তিনি বলেছেন, আলোচনার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের মৌখিক বক্তব্যের চেয়ে দেশটির বাস্তব পদক্ষেপকে বেশি গুরুত্ব দেবে তেহরান।
সোমবার (২ নভেম্বর) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বাঘাই বলেন, গত দুই বছরে যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণে ব্যর্থ হয়েছে। বরং দেশটি বিভিন্নভাবে কূটনৈতিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করেছে।
তিনি বলেন, ‘বল এখন যুক্তরাষ্ট্রের কোর্টে। ইরানের দাবিগুলো স্পষ্ট ও যৌক্তিক।’
বাঘাই জানান, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ প্রত্যাহার এবং তেহরানের ন্যায্য দাবিগুলো সম্পূর্ণভাবে পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব নয়। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং সেখানে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টিও আলোচনার সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে উল্লেখ করেন তিনি।
ইরানের এই মুখপাত্র আরও জানান, শান্তি প্রতিষ্ঠায় তেহরানের আগের সাত দফা প্রস্তাব এখনো আলোচনার টেবিলে রয়েছে। তবে প্রস্তাবটি আরও সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে, যা মাত্র দুই দিনের মধ্যে বাস্তবায়ন করা সম্ভব বলে দাবি করেন তিনি।
বাঘাই বলেন, ইরানের এই উদ্যোগ দেশটির সদিচ্ছার প্রতিফলন। তেহরানের দাবিগুলো পূরণ করা হলে অল্প সময়ের মধ্যেই হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনা এবং শান্তি আলোচনা শুরু করা সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, পুরো কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে যুক্তরাষ্ট্র এখন কীভাবে এগিয়ে যেতে চায়, তার ওপর।
