দেশের ইতিহাসে প্রথম কারাবন্দিদের জন্য ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়। নজিরবিহীন এই উদ্যোগ হলেও বন্দিদের অংশগ্রহণ ছিল খুবই কম। সারা দেশে প্রায় ৮৫ হাজার বন্দির মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন মাত্র চার হাজার ৫৩৮ জন, যা মোট বন্দির প্রায় সাত শতাংশ। ফলে কারাগারে ভোটের সুযোগ থাকলেও ৯৩ শতাংশ বন্দি ভোটদানে অংশ নেননি।
বন্দিদের অনেকেই কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী হওয়ায় ভোটে অংশ নেননি বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামীপন্থি আইনজীবীরা। তবে এনআইডি কার্ড না থাকাসহ দুটি কারণে বন্দিদের নিবন্ধনসহ ভোটে অংশগ্রহণ কম বলে জানিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ।
কারাগারে গত ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে বিশেষ এই ভোটগ্রহণ শুরু হয়। গতকাল পর্যন্ত ৫ হাজার ৯৪০ জন নিবন্ধিত বন্দির মধ্যে ৪ হাজার ৫৩৮ জন ভোট দিয়েছেন। এর মধ্যে গত ৩ ফেব্রুয়ারি ১ হাজার ৫২১ জন, পরদিন ৯৮৮ জন, ৫ ফেব্রুয়ারি ১ হাজার ১৩৮ জন, ৬ ফেব্রুয়ারি ৪২০ ও গতকাল শনিবার ৪৭১ বন্দি পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়েছেন। গতকাল ছিল এ ভোটগ্রহণের শেষ দিন। তবে নিবন্ধিত বাকি ১ হাজার ৪০২ জন বন্দিকে সুযোগ দিতে আরও এক দিন ভোটগ্রহণের সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে। রোববারও চলবে বিশেষ এই ভোটগ্রহণ।
