গত মঙ্গলবার ট্রাম্প তার গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের ইচ্ছার কথা জানিয়ে বলেছেন, আর্কটিক দ্বীপ যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তার জন্য ‘গুরুত্বপূর্ণ’।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, সামরিক শক্তি দিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড দখল করতে চান না, বরং তিনি এটি ডেনমার্কের কাছ থেকে এটি কিনে নিতে চান। বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বরাত দিয়ে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন ঘোষণা সামনে আসার পর জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়ে উদ্বেগ বেড়েছে ডেনমার্কের মিত্রদের মধ্যে।
ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেট্টে ফ্রেডেরিকসেন সম্প্রতি বলেন, গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন হামলা মানেই হবে ‘ন্যাটো এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী বৈশ্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার অবসান।
পরে ট্রাম্প বলেন, আমি না থাকলে আজ ন্যাটোর কোনো অস্তিত্ব থাকত না। কিন্তু আমরা রাশিয়া বা চীনকে গ্রিনল্যান্ড দখল করতে দেব না। আমরা পদক্ষেপ না নিলে শেষপর্যন্ত সেটাই ঘটবে।
২০১৯ সালে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম মেয়াদে গ্রিনল্যান্ড কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেন ট্রাম্প। এরপর তিনি বারবারই এই ধারণা উত্থাপন করে আসছেন।
গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মুট এগিদ ডেনমার্কের কাছ থেকে তার দেশকে স্বাধীন করার জন্য চাপ দিয়ে আসছেন।
গ্রিনল্যান্ডের এক ট্যুর অপারেটর ডাইনেস মিকেলসেন এটিকে একটি ভয়ংকর ধারণা বলে উল্লেখ করেছেন। এ ছাড়া গ্রিনল্যান্ডের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী আলেকা হ্যামন্ড বলেছেন, ‘ট্রাম্প আমাদের পণ্য হিসেবে দেখছেন। আমাদের কিনতে চান তিনি।’
