নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা দায়িত্ব গ্রহণের পর রাষ্ট্রীয়ভাবে নির্ধারিত বেতন ছাড়াও বিভিন্ন ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা পাবেন, যা তাদের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করার জন্য নির্ধারিত।
সংসদ সদস্যদের জন্য নির্ধারিত রয়েছে একাধিক ভাতা ও প্রশাসনিক সুবিধা। মূল বেতনের পাশাপাশি নির্বাচনী এলাকা পরিচালনা, আপ্যায়ন, পরিবহন, অফিস পরিচালনা, লন্ড্রি এবং অন্যান্য খরচের জন্য আলাদা ভাতা দেওয়া হয়। এসব ভাতার মধ্যে পরিবহন বাবদ বরাদ্দে জ্বালানি, গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ এবং চালকের বেতন অন্তর্ভুক্ত থাকে।
যানবাহন ব্যবহারের ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যরা বিশেষ সুবিধা ভোগ করেন। তারা শুল্ক, ভ্যাট ও অন্যান্য করমুক্তভাবে একটি গাড়ি, জিপ বা মাইক্রোবাস আমদানির সুযোগ পান। দায়িত্বকাল শেষ হলে একই সুবিধায় পুনরায় গাড়ি আমদানির সুযোগও থাকে।
বিমান, রেল বা নৌপথে যাতায়াতে সর্বোচ্চ শ্রেণির ভাড়ার নির্দিষ্ট গুণ পর্যন্ত ভাতা পাওয়া যায়। দেশের ভেতরে চলাচলের জন্য বার্ষিক ভ্রমণ ভাতা বা ট্রাভেল পাস সুবিধা রাখা হয়েছে। দায়িত্বস্থলে অবস্থান বা সংসদ অধিবেশন ও কমিটির বৈঠকে অংশগ্রহণের সময় দৈনিক ভাতা ও যাতায়াত ভাতা প্রযোজ্য হয়।
চিকিৎসা সুবিধার ক্ষেত্রে সংসদ সদস্য ও তাদের পরিবার সরকারি প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তাদের সমমানের সুবিধা পান। পাশাপাশি মাসিক চিকিৎসাভাতাও নির্ধারিত রয়েছে। দায়িত্ব পালনের সময় দুর্ঘটনায় মৃত্যু বা স্থায়ী পঙ্গুত্বের ক্ষেত্রে সরকারি বীমা সুবিধা প্রযোজ্য হয়।
টেলিযোগাযোগ সুবিধার অংশ হিসেবে সংসদ সদস্যদের বাসভবনে সরকারি খরচে টেলিফোন সংযোগ দেওয়া হয় এবং মাসিক কল খরচ বাবদ নির্ধারিত বরাদ্দ রাখা হয়।
