০৬ এপ্রিল (সোমবার) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের নবম দিনে অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হফিজ উদ্দিন আহমদ।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ প্রকাশিত সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৭৬৯ মার্কিন ডলার। বর্তমান সরকারের অন্যতম লক্ষ্য হলো ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি মাইলফলক অর্জন করা। এ লক্ষ্যে সরকার বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ন, ক্রিয়েটিভ অর্থনীতি, স্পোর্টস অর্থনীতি ইত্যাদিকে বিবেচনার নিয়ে কর্মপরিকল্পনা তৈরি করছে।
গৃহীত প্রধান পদক্ষেপ
১. কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বেকারত্ব কমানো।
২. বেসরকারি বিনিয়োগ ও শিল্পায়ন বৃদ্ধি
ব্যবসা শুরু ও সম্প্রসারণের প্রক্রিয়া সহজ করা, বিনিয়োগ-সহায়ক পরিবেশ তৈরি, শিল্প স্থাপনে উৎসাহ দেওয়া এবং উৎপাদনমুখী খাতে অর্থপ্রবাহ বাড়ানোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
৩. ক্ষুদ্র, মাঝারি ও উদ্যোক্তা খাতে সহায়তা
ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ দেশের কর্মসংস্থানের বড় উৎস।
৪. রপ্তানি বৃদ্ধি ও বাজার সম্প্রসারণ
রপ্তানিমুখী শিল্পকে উৎসাহ প্রদান, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, নতুন বাজার অনুসন্ধান এবং বিদ্যমান বাজার ধরে রাখার মাধ্যমে বৈদেশিক আয় বাড়ানোর চেষ্টা চলছে।
৫. প্রবাস আয় বৃদ্ধি
বিদেশগামী কর্মীদের দক্ষতা বাড়ানো, বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ, প্রবাস আয় বৈধ পথে পাঠাতে উৎসাহ দেওয়া এবং এ সংক্রান্ত সেবা সহজ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
৬. দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ
দেশীয় ও বিদেশি শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী কারিগরি ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।
৭. কৃষি, গ্রামাঞ্চল ও উৎপাদনভিত্তি শক্তিশালী করা
কৃষি উৎপাদন, গ্রামীণ অবকাঠামো, সেচ, খাদ্য সরবরাহ এবং কৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র ব্যবসা জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
