রমজান হলো ইসলামি ক্যালেন্ডারের পবিত্র নবম মাস, যা আত্মশুদ্ধি, সংযম ও কোরআন নাজিলের মাস হিসেবে পরিচিত। এই মাসে মুসলমানরা ভোর (সেহরি) থেকে সন্ধ্যা (ইফতার) পর্যন্ত পানাহার থেকে বিরত থাকেন। এটি আধ্যাত্মিক বৃদ্ধি, আল্লাহর নৈকট্য লাভ এবং গরিব-দুঃখীদের প্রতি সহানুভূতি প্রদর্শনের একটি অন্যতম সময়।
পবিত্র কোরআন নাজিল: রমজান মাসে পবিত্র কোরআন অবতীর্ণ হয়েছে, যা মানবজাতির জন্য হেদায়েত।
আত্মসংযম ও তাকওয়া অর্জন: রোজা রাখার মাধ্যমে কুপ্রবৃত্তি দমন করে খোদাভীতি বা তাকওয়া অর্জন করা হয়।
গুনাহ মাফ: নিষ্ঠার সাথে রোজা পালন ও ইবাদত করলে অতীতের গুনাহ মাফ হয়।
শবে কদর: এই মাসে ‘লাইলাতুল কদর’ বা ভাগ্য রজনী রয়েছে, যা হাজার মাসের চেয়েও উত্তম।
দান-সদকা ও সহানুভূতি: এই মাসে দান-সদকার ফজিলত অনেক বেশি, যা ক্ষুধার্ত মানুষের কষ্ট অনুভব করতে শেখায়।
সংক্ষেপে, রমজান কেবল না খেয়ে থাকা নয়, বরং সব ধরনের পাপ কাজ থেকে নিজেকে বিরত রেখে আধ্যাত্মিক উৎকর্ষ সাধনের একটি পবিত্র মাস।
