মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির ক্রমাগত অবনতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে ইরানের চলমান সংঘাত কোন দিকে মোড় নেবে, তা নিয়ে স্পষ্ট কোনো ইঙ্গিত না থাকায় বাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে।
সংঘাতের শুরু থেকেই বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদ থেকে মুখ ফিরিয়ে ডলারের মতো ‘সেফ হ্যাভেন’ বা নিরাপদ মুদ্রার দিকে ঝুঁকছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধ দ্রুত শেষ হওয়ার আভাস দিলেও বাস্তবে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি তেল পরিবহনে ইরানের বাধা দেওয়ার খবর ওয়াশিংটনের সঙ্গে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ফলে বুধবার লেনদেনের শুরুতে কিছুটা ওঠা-নামা করলেও দিন শেষে স্থিতিশীল অবস্থানে ফিরেছে গ্রিনব্যাক (ডলার)।
এই সংঘাতের স্থায়িত্ব এবং জ্বালানি অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতির ওপরই নির্ভর করছে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির গতিপথ। সংস্থাটি সতর্ক করে জানিয়েছে, সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে বিশ্ব অর্থনীতি ‘স্ট্যাগফ্লেশন’-এর (অর্থনৈতিক স্থবিরতার সঙ্গে উচ্চ মূল্যস্ফীতি) কবলে পড়তে পারে।
বুধবারের লেনদেনে দেখা গেছে, ইউরো ও ব্রিটিশ পাউন্ডের দর প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও জাপানি ইয়েন উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল হয়েছে। ছয়টি প্রধান মুদ্রার বিপরীতে ডলারের মান নির্দেশক ‘ডলার ইনডেক্স’ ৯৮.৯৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
