Close Menu
    Facebook X (Twitter) Instagram
    PujiBarta

    • পুঁজিবাজার
      • বোর্ড সভা
      • লভ্যাংশ ঘোষণা
      • প্রথম প্রান্তিক
      • দ্বিতীয় প্রান্তিক
      • তৃতীয় প্রান্তিক
    • অর্থনীতি
    • আন্তর্জাতিক
    • চাকরি
    • জাতীয়
    • ব্যাংক বিমা
      • বীমা
      • ব্যাংক
    • শিক্ষা
    • আরও
      • খেলাধুলা
      • স্বাস্থ্য
      • ধর্ম
      • প্রযুক্তি
      • জ্বালানি-বিদ্যুৎ

    PujiBarta
    Home » ওজন কমানোর ঔষুধ খেলে কী হয়
    স্বাস্থ্য

    ওজন কমানোর ঔষুধ খেলে কী হয়

    জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
    Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Telegram Copy Link
    medicine1
    ছবি: সংগ্রহীত
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email Copy Link

    ওজন কমানোর নানা ধরনের ঔষুধ আছে। কিছু মুখে খেতে হয়, কিছু ইনজেকশন হিসেবে নিতে হয়। মুখে খাওয়ার ঔষুধ বা ইনজেকশন—যেটাই ব্যবহার করুন না কেন, কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে। আবার ঔষুধের সর্বোচ্চ উপকার পেতে কিছু নিয়মকানুন মেনে চলা দরকার। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হ্রাস এবং দীর্ঘমেয়াদি সাফল্য নিশ্চিত করার জন্য এই রোগীদের একটি নির্দিষ্ট জীবনধারা মেনে চলা অপরিহার্য।

    ঔষুধ কীভাবে ওজন কমায়

    স্থূলতা নিয়ন্ত্রণকারী ঔষুধগুলো বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কাজ করে। অরলিস্ট্যাটের মতো মুখে খাওয়ার ঔষুধ খাবারের চর্বি শোষণকে বাধা প্রদান করে। আবার কিছু ইনজেকশন, যেমন সিমাগ্লুটাইড, লিরাগ্লুটাইড, টারজিপেটাইড ক্ষুধা কমায়, তৃপ্তির অনুভূতি বাড়ায় এবং অন্ত্রের বিভিন্ন হরমোনের ভারসাম্যের ওপর কাজ করে।

    ওজন কমানোর ঔষুধ যাদের দেওয়া হয়

    আন্তর্জাতিক গাইডলাইন অনুসারে, কারও বডি মাস ইনডেক্স বা বিএমআই ৩০-এর বেশি হলে চিকিৎসকের পরামর্শে তিনি অ্যান্টি–ওবেসিটি ঔষুধ গ্রহণ করতে পারেন। এর নিচে, অর্থাৎ বিএমআই ২৭-এর বেশি এবং ওজন সংক্রান্ত বিপাকীয় রোগবালাই (যেমন ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, ফ্যাটি লিভার, স্লিপ অ্যাপনিয়া, অস্টিওআর্থ্রাইটিস ইত্যাদি) থাকলেও অ্যান্টি-ওবেসিটি ঔষুধ শুরু করা যায়। বাংলাদেশি বা এশীয়দের ক্ষেত্রে এই পয়েন্ট আরও কম হতে পারে। সে ক্ষেত্রে এই সীমা ধরা হয় ২৭ ও ২৫। আবার কেউ যদি জীবনযাত্রায় পরিবর্তন এনেও ছয় মাসের চেষ্টায় কাঙ্ক্ষিত ওজন কমাতে ব্যর্থ হন, তবে অ্যান্টি-ওবেসিটি ঔষুধ শুরু করতে পারেন।

    ঔষুধ সেবনের সময় জীবনধারা কেমন হবে

    ১.   পুষ্টি ব্যবস্থাপনা

    স্থূলতা নিয়ন্ত্রণকারী ঔষুধ সেবনের সময় পুষ্টি ব্যবস্থাপনার লক্ষ্য হলো ঔষুধের কার্যকারিতার সঙ্গে খাদ্যাভ্যাসের সামঞ্জস্য আনা, যাতে ওজন কমা সত্ত্বেও পুষ্টির চাহিদায় কোনো ঘাটতি না পড়ে এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কম হয়।

    • অপ্রয়োজনীয় খাবার কমিয়ে পুষ্টিকর খাবারে মনোযোগ দিন। স্থূলতা নিয়ন্ত্রণকারী ঔষুধ, বিশেষ করে ইনজেকশন বা জিএলপি–ওয়ান অ্যাগোনিস্ট গ্রহণ করলে ক্ষুধা ও রুচি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। এটি ব্যবহার শুরু করার পর খাবার গ্রহণের পরিমাণ বেশ কমে যায়। ফলে পেশিক্ষয় ও পুষ্টির ঘাটতি দেখা দিতে পারে। এটি মোকাবিলা করার জন্য চর্বিহীন প্রোটিন (মুরগি, মাছ, ডিম, মসুর ডাল, ছোলা), গোটা শস্য, বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি এবং ফলমূলকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। এই খাবারগুলো পরিপূর্ণ ও উজ্জীবিত রাখার সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজনীয় ভিটামিন, খনিজ ও আঁশ সরবরাহ করবে।
    • মানসম্পন্ন প্রোটিন গ্রহণকে গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ, ওজন কমতে শুরু করার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের মেয়াদ যেমন কমে আসে, তেমনি পেশিক্ষয়ও শুরু হয়। পেশির যথাযথ সংরক্ষণের জন্য তাই ভালো আমিষ খেতে হবে। প্রতি বেলা খাবারে একটি প্রোটিন উৎস থাকা চাই। যেমন গ্রিলড মাছ, চর্বিহীন মাংস, ডিম, দই অথবা মসুর ডাল, ছোলা ও বাদাম ইত্যাদি।
    • অরলিস্ট্যাটের মতো ঔষুধ সেবন করলে চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিনের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। সে ক্ষেত্রে চুল বা ত্বক বিবর্ণ হতে পারে। তাই দরকার হলে ভিটামিন ডি বা অন্যান্য সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করা যায়।
    • ইনজেকশন গ্রহণ করলে বমি বমি ভাব, বমি, ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হওয়া স্বাভাবিক। শুরুতে বেশি হলেও দিন দিন এটি সয়ে যায়। তবে এই প্রতিক্রিয়া গুলোকে মোকাবিলা করতে সারা দিন অল্প পরিমাণে, ঘন ঘন সহজ পাচ্য খাবার খেতে হবে। একসঙ্গে অনেক খাবার খেলে বা ভারী খাবার খেলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বেশি হবে। গ্যাস বা বমি ভাব হলে চিকিৎসকের পরামর্শে কিছুদিন গ্যাসের বা বমির ঔষুধ গ্রহণ করা যায়।
    • চর্বি ও তেল গ্রহণ নিয়ন্ত্রণ করুন, বিশেষ করে যদি অরলিস্ট্যাটের মতো ঔষুধ সেবন করে থাকেন। অরলিস্ট্যাট পরিপাকতন্ত্রে চর্বি শোষণকে বাধা দেয়, তাই এই ঔষুধ গ্রহণের সময় উচ্চ চর্বিযুক্ত খাবার গ্রহণ অস্বস্তিকর এবং বিব্রতকর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। তাই তৈলাক্ত ও অতিরিক্ত মসলাযুক্ত ভাজা খাবার (সমুচা, শিঙাড়া), প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং উচ্চ চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন।
    • হাইড্রেটেড থাকুন। পানিশূন্যতা কোষ্ঠকাঠিন্য ও মাথাব্যথার মতো সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলোকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। সারা দিন প্রচুর পানি ও তরল পান করুন। তবে চিনিযুক্ত পানীয় ও জুস এড়িয়ে চলুন। এগুলো অপ্রয়োজনীয় ক্যালরি যোগ করে। চিনি ছাড়া ডাবের পানি বা লেবুপানির মতো বিকল্পগুলো সতেজ রাখতে সাহায্য করবে।
    • স্থূলতা নিয়ন্ত্রণকারী ঔষুধ ক্ষুধার সংকেত কমায়। তাই এটি মাইন্ডফুলনেস ইটিং বা মনোযোগী খাবার অনুশীলন করার উপযুক্ত সময়। ধীরে ধীরে খান, প্রতিটি কামড়ের স্বাদ নিন। পেট ভরার পর নয়, বরং যখন আপনি তৃপ্ত বোধ করেন, তখন থামুন। এই অভ্যাস ঔষুধের মাত্রা কমিয়ে এনে টেকসই অভ্যাস গড়ে তুলতে সাহায্য করে।
    • ২.   নিয়মিত ব্যায়াম
    • ব্যায়াম ওজন নিয়ন্ত্রণের মূল ভিত্তি। এটি কেবল ক্যালরিই পোড়ায় না, আরও নানা উপকার করে। এটি পেশির ভর সংরক্ষণে সাহায্য করে, হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্য উন্নত করে, মানসিক সুস্থতা বৃদ্ধি করে।
    • কার্ডিও এবং ওয়ার্কআউট—দুটিই করুন। একটি সুষম ওয়ার্কআউট রুটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতি সপ্তাহে কমপক্ষে ১৫০ মিনিট মাঝারি তীব্রতার অ্যারোবিক কার্যকলাপ করুন, যেমন দ্রুত হাঁটা, সাইকেল চালানো বা সাঁতার কাটা।
    • ভারী ব্যায়াম পেশিক্ষয় রোধ করতে সাহায্য করে। সপ্তাহে কমপক্ষে দুই দিন স্কোয়াট, লাঞ্জ, প্ল্যাঙ্ক এবং পুশ-আপের মতো ব্যায়াম অত্যন্ত কার্যকর। যদি জিমে যাওয়ার সুযোগ থাকে, তাহলে সঠিক নির্দেশনায় ওজন বা প্রতিরোধ ব্যান্ড ব্যবহার করুন। পেশির ভর তৈরি ও সংরক্ষণ সুস্থ বিপাকক্রিয়া বজায় রাখা এবং পুনরায় ওজন বৃদ্ধি ঠেকানোর চাবিকাঠি।
    • যদি নতুন করে ব্যায়াম শুরু করে থাকেন, তাহলে ছোট ছোট সেশন দিয়ে শুরু করুন। যেমন প্রতিদিন ১০-১৫ মিনিট হাঁটা। ধীরে ধীরে সময়কাল ও তীব্রতা বৃদ্ধি করুন। এই পদ্ধতি আঘাত ও বার্নআউট প্রতিরোধ করে।
    • দীর্ঘ সময় ধরে বসে থাকার অভ্যাস থাকলে মাঝেমধ্যে বিরতি নেওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ। প্রতি ৩০-৬০ মিনিট অন্তর দাঁড়িয়ে নড়াচড়া করুন। যাঁরা ডেস্ক জব করেন, তাঁদের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ।
    • ৩. মানসিক ও আবেগগত সুস্থতা
    • স্থূলতা প্রায়ই মানসিক চাপ ও নানা সমস্যার সঙ্গে যুক্ত। ঔষুধ শারীরিক ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে, কিন্তু ফুড হ্যাবিট বা খাবারের সঙ্গে সম্পর্কিত আচরণগত ও মানসিক বদভ্যাসকে বদলাতে পারে না। অনেকেরই ইমোশনাল ইটিং বা বিষণ্নতা ও মানসিক চাপে থাকা অবস্থায় অতিরিক্ত খাওয়ার অভ্যাস থাকে। অনেকে সহজে আনহেলদি ফুড ক্রেভিং থেকে বের হতে পারেন না।
    • আচরণগত পরামর্শ: এ বিষয়ে ওজন ব্যবস্থাপনায় বিশেষজ্ঞ থেরাপিস্ট বা পরামর্শদাতা সাহায্য করতে পারেন। আচরণগত থেরাপি আপনাকে খাওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত অস্বাস্থ্যকর চিন্তাভাবনা ও আচরণ শনাক্ত করে সেগুলো পরিবর্তনে সহায়তা করতে পারে।
    • চাপ ব্যবস্থাপনা: মানসিক চাপ মন্দ খাদ্যাভ্যাস ও হরমোনের ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি করতে পারে, যা ওজন বৃদ্ধি করে। চাপ বা স্ট্রেস মোকাবিলা করার জন্য স্বাস্থ্যকর উপায়গুলো খুঁজুন। যেমন যোগব্যায়াম, ধ্যান, গভীর শ্বাসপ্রশ্বাসের ব্যায়াম অথবা শখের কাজ করুন।
    • বিশ্বস্ত বন্ধু বা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আপনার এই ওজন কমানোর যাত্রা ভাগ করুন, তাঁরাই আপনাকে উৎসাহিত করবেন। একই ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি অন্যদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমেও আপনার যাত্রা ভাগ করতে পারেন।
    • ধৈর্য ধরুন। ওজন হ্রাস একটি দীর্ঘ যাত্রা। বাস্তবসম্মত লক্ষ্য নির্ধারণ করুন। ছোট ছোট সাফল্য উদ্‌যাপন করুন। হতাশ হবেন না।
    • ৪.   পর্যবেক্ষণ
    • আপনার প্রেসক্রিপশনটি সঠিকভাবে অনুসরণ করুন। মুখে খাওয়ার এবং ইনজেকশনযোগ্য ঔষুধগুলো নির্ধারিত হিসাবে ও সময়ে গ্রহণ করুন। চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ না করে ডোজ কমবেশি করবেন না। যদি কোনো বেলার খাবার মিস করেন, তাহলে সেই বেলা আর অরলিস্ট্যাট খাওয়ার দরকার নেই। আবার ইনজেকশন সপ্তাহে সাধারণত এক দিন নিতে হয়, কোনো কারণে ভুলে গেলে কী করবেন, তা জেনে নিন।
    • যেকোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করুন। চিকিৎসক ডোজ সমন্বয় করে দেবেন। প্রয়োজনে আপনার চিকিৎসা পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনবেন।
    • নিয়মিত চেকআপ বা পর্যবেক্ষণ অপরিহার্য। রক্তচাপ, রক্তে শর্করার মাত্রা এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যগত লক্ষণ গুলো পরীক্ষা, ঔষুধগুলো নিরাপদে ও কার্যকরভাবে কাজ করছে কি না, তা পর্যবেক্ষণ করতে হবে। ওজন মাপতে হবে, নিয়মিত পেটের মাপ নিয়ে লিখে রাখতে হবে।
    • এ ধরনের ঔষুধ নেওয়ার সময় সাধারণত সন্তান ধারণ করতে নিষেধ করা হয়। তাই গর্ভধারণের পরিকল্পনা থাকলে আগেভাগেই চিকিৎসককে জানান।
    • স্থূলতা একটি দীর্ঘস্থায়ী রোগ। বেশির ভাগ মানুষের জন্য স্থূলতা নিয়ন্ত্রণকারী ঔষুধ একটি দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা। ঔষুধ বন্ধ করলে অতিরিক্ত ওজন আবার ফিরে আসতে পারে। সে ক্ষেত্রে ডাক্তারের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করার জন্য প্রস্তুত থাকুন।
    • ওজন কমানোর ঔষুধের ক্রমবর্ধমান চাহিদার ফলে বাজারে ভুয়া ও অবৈজ্ঞানিক পণ্যের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এসবে কান না দিয়ে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে কেবল স্বীকৃত চিকিৎসা গ্রহণ করতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।
    • পুঁজিবার্তা
    ওজন কমানো

    সম্পর্কিত খবর

    কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইড নিয়ন্ত্রণে মসলার গুণাগুণ

    জুলাই ২২, ২০২৬

    অতিরিক্ত চিন্তা পুরুষদের যে ক্ষতি ডেকে আনে

    এপ্রিল ২৮, ২০২৬

    রমজানে খেজুরের উপকারিতা

    ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬

    ডেঙ্গুতে মৃত্যু নেই, হাসপাতালে ভর্তি ১২ জন

    ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬

    ডেঙ্গুতে মৃত্যু নেই, হাসপাতালে ভর্তি ৩১ জন

    ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬

    ডেঙ্গুতে মৃত্যু নেই, হাসপাতালে ভর্তি ১৭ জন

    ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
    পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

    দুই ঘণ্টায় লেনদেন ২৯৮ কোটি টাকা

    আগস্ট ২৩, ২০২৬

    ২৩ আগস্ট (রবিবার) সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের…

    দর পতনের শীর্ষে জিবিবি পাওয়ার

    আগস্ট ২০, ২০২৬

    লেনদেনের শীর্ষে শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ

    আগস্ট ২০, ২০২৬
    সর্বশেষ সংবাদ

    প্রাইম ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

    সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬

    প্রাইম ব্যাংক পিএলসি নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকটি সিনিয়র…

    নিয়োগ দেবে এসএমসি

    সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬

    সোশ্যাল মার্কেটিং কোম্পানি (এসএমসি) নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি সিনিয়র অ্যান্ড্রয়েড…

    আহছানিয়া মিশন ক্যান্সার ও জেনারেল হাসপাতালে চাকরির সুযোগ

    সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬

    আহছানিয়া মিশন ক্যান্সার ও জেনারেল হাসপাতাল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। দেশের শীর্ষস্থানীয়…

    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • পুঁজিবার্তা
    • গোপনীয়তার নীতি
    • মন্তব্যের নীতিমালা
    • শর্তাবলী
    • পুঁজিবার্তা
    • গোপনীয়তার নীতি
    • মন্তব্যের নীতিমালা
    • শর্তাবলী

    © ২০২৫ | কর্তৃক সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.