এক সময় বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের অন্যতম শীর্ষ খাত ছিল হিমায়িত চিংড়ি। চিংড়ি খাতের বিদ্যুৎ বিলে ২০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। গতকাল ০৪ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) চিংড়ি খাত পুনরুদ্ধারে নীতিসহায়তা বিষয়ক এক নীতি সংলাপে একথা জানান তিনি।
বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআরআই) এবং বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএফএফইএ) যৌথভাবে ‘বাংলাদেশের চিংড়ি খাত পুনরুদ্ধারে নীতিসহায়তা রূপান্তর’ শীর্ষক এই নীতি সংলাপের আয়োজন করে। পিআরআইএর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফরিদা আখতার ভর্তুকি ও প্রণোদনার মাধ্যমে চিংড়ি খাতের প্রতি বৈষম্য কমানোর ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি বলেন, শিগগিরই এই খাতের বিদ্যুৎ বিলে ২০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হবে। এ ছাড়া একটি বিশেষায়িত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
